‘মামুনুল হকের আইনজীবীর যে প্রশ্নে হাসির ঝড় ওঠে আদালতে’

প্রকাশিত: ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০২১

‘মামুনুল হকের আইনজীবীর যে প্রশ্নে হাসির ঝড় ওঠে আদালতে’

প্রজন্ম ডেস্ক:
‘রয়েল রিসোর্ট হোটেলের কক্ষে প্রবেশের পর কে প্রথমে দরজা বন্ধ করেছে আপনি ঝর্ণা নাকি মামুনুল হক’। জেরার সময় ঝর্ণাকে মামুনুল হকের আইনজীবীর এমন প্রশ্নে আদালতে হাসির ঝড় উঠে। এ সময় বাদীপক্ষের আইনজীবীরা মামুনুল হকের আইনজীবীকে বেশি গভীরে প্রবেশ না করতে অনুরোধ করেন।

 

বুধবার সোয়া ১২টা থেকে বাদী ঝর্ণা সাক্ষীর জবানবন্দি দেয়া শুরু করেন। বিকেল ২টায় জবানবন্দি ও জেরা শেষ হয়।

জেরার সময় বাদীকে তার আইনজীবীরা সহযোগিতা করতে চাইলে মামুনুল হকের আইনজীবীরা বাগবিতণ্ডা ও হাসাহাসিতে জড়িয়ে পড়ে।

হোটেলে দুজনকে এক সঙ্গে পাবলিক ধরেছে এটা যেমন সত্য ধর্ষণও সত্য হবে বলে বাদীর আইনজীবীরা দাবী করেছে।

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে আসামি মামুনুল হকের উপস্থিতিতে সাক্ষী দিয়েছে ঝর্না। আদালত পরবর্তী সাক্ষীর জন্য ১৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন। সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা এ মামলায় ৪২জন সাক্ষীর মধ্যে বাদীই প্রথম সাক্ষী দিয়েছেন।

 

সাক্ষীগ্রহণে বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর রকিবুজ্জামান রাকিব। সহযোগিতায় ছিলেন,নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহসীন,সাবেক সভাপতি হাসান ফেরদৌস জুয়েলসহ কয়েকজন। আসামী পক্ষে ছিলেন সৈয়দ মো. জয়নুল আবেদীন মেসবাহসহ কয়েকজন।

 

এর আগে হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্নার করা ধর্ষণ মামলায় সকাল ৯টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

 

নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) নাজমুল হাসান জানান, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে মামুনুল হককে আদালতে হাজির করা হয়। এদিন মামলার বাদী ঝর্না সাক্ষী দিয়েছেন। দুপুর ২টায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামুনুল হককে ফের কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়েছে।

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রাকিবুজ্জামান রকিব জানান, কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্না সোনারগাঁও থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেন। সেই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষীকে উভয় পক্ষ জেরা করেছেন। আদালতের কাঠগড়ায় প্রথমে মামুনুল হক বার বার বাদীকে উদ্দেশ্য করে দিক নির্দেশনা মূলক কথা বলার চেষ্টা করেছেন। পরে অনুরোধ করার পর তিনি চুপ থাকেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com