প্রকাশনার ১৫ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

সিলেটে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন: বিয়ানীবাজার আ’লীগ সভাপতি রাজাকার নয়

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ১২, ২০১৯, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ণ
সিলেটে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন: বিয়ানীবাজার আ’লীগ সভাপতি রাজাকার নয়

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী সভাপতি আব্দুল হাছিব মনিয়া শান্তি কমিটির সদস্য কিংবা রাজাকার ছিলেন না। তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। আওয়ামী লীগের উপজেলা কাউন্সিলকে সামনে রেখে তার বিরুদ্ধে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা অপপ্রচার করেন। সোমবার সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ উপজেলা কমান্ডের নেতৃবৃন্দ। লিখিত বক্তব্যে উপজেলা কমান্ডের পক্ষে বক্তব্য রাখেন বিয়ানীবাজার থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহবায়ক বাবুল আক্তার।

তিনি লিখিত বক্তব্যে জানান, শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে উপজেলা আওয়া লীগকে রাজাকার, আলবদর মুক্ত রাখার দাবি করেন বিয়ানীবাজারের সুপাতলা গ্রামের বাসিন্দা ও মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী। ইদ্রিছ আলী তার বক্তব্যে সিলেটের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ থেকে প্রকাশিত রনাঙ্গন-৭১ এর বইয়ের উদ্বৃতি দিয়ে জানান, ‘বিয়ানীবাজার আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি আব্দুল হাছিব মনিয়া শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন’। যা আদৌ সত্য নয়। ২০১৭ সালে সিলেটের যুগ্ম জজ আদালতে তা নিয়ে মামলাও করেছেন মনিয়া। কতিপয় বিপদগামী সহযোদ্ধা কারো প্ররোচনায় মনিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেছেন বলে দাবি করেন বাবুল আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শনিবার যারা সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন তাদের দুইজন ভুল বুঝতে পেরেছেন। এছাড়া যারা উপস্থিত থেকে ওইদিন সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যাচার করেছেন তারা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের কোনো পদপদবিধারী নয়। বিয়ানীবাজার আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে সামনে রেখে তাদেরকে দিয়ে মিথ্যাচার করানো হয়েছে। আব্দুল হাছিব মনিয়া ১৯৯৬ সাল থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। হঠাৎ একটি স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে বক্তব্যই প্রমাণ করে তারা কারো ইন্ধনে এসব করছেন।

বক্তব্যে বলা হয়, ৭১ সালে শহীদ জামালকে ধরে নিয়ে হত্যা করে রাজাকার ফুরকান মাস্টার। অথচ আজো জামালকে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। তাকে সম্মান জানানোর দাবি করেন মুক্তিযোদ্ধারা।
এক প্রশ্নের জবাবে বাবুল আক্তার জানান, আওয়ামী লীগে কারা আসবে সেটা দলীয় বিষয়। কিন্তু দীর্ঘদিনের একজন সভাপতির বিরুদ্ধে রাজাকারের উপাধি দেওয়া মেনে নেওয়া যায়না। কারণ, মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে তিনি রাজাকার নয়, সংগঠক ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধারা কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সাংগঠনিক কামান্ডর রফিক উদ্দিন, সাবেক ডেপুটি কামান্ডর আতিক উদ্দিন মেম্বার ও মুক্তিযোদ্ধা সাহাব উদ্দিন। – বিজ্ঞপ্তি

সংবাদটি শেয়ার করুন।