প্রকাশনার ১৫ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২৪শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
১০ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১৮ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

শফিক চৌধুরীকে ভুলে গেলো ওসমানীনগর আ.লীগ!

admin
প্রকাশিত
শফিক চৌধুরীকে ভুলে গেলো ওসমানীনগর আ.লীগ!

স্টাফ রিপোর্টার:
বিজয় দিবস উপলক্ষে ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগ এর উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকালে উপজেলার তাজপুর কদমতলাস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান চৌধুরী নাজলুর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ এফতার আহমদ পিয়ার। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক উপদপ্তর সম্পাদক আখতারুজ্জামান চৌধুরী জগলু। কিন্তু দেখা যায়নি শফিকুর রহমান চৌধুরীকে।

সিলেট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক তিনি। সদ্য হওয়ার সাথে সাথেই তাকে ভুলে গেল ওসমানীনগর আওয়ামী লীগ এমন মন্তব্য অনেকের। বালাগঞ্জ, ওসমানীনগর ও বিশ্বনাথের আওয়ামী লীগের যে কোন সভায় যাকে সব সময় মঞ্চে দেখা যায়। তাকে আজ ওসমানীনগর উপজেলার আওয়ামীলীগের বিজয় দিবসের সভায় দেখা গেলো না। অনেকেই বলছেন সদ্য সাবেক হওয়ায় নেতাদের কাছে কমে গেছে তার গুরুত্ব। যে কোন রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানের খবর পাওয়া মাত্রই তিনি উপস্থিত হতেন সেই অনুষ্ঠানে। আজ মহান বিজয় দিবসে তাকে কাছে না পেয়ে হতভম্ভ হয়েছেন কর্মীরা। কিন্তু কেন তিনি বিজয়ের অনুষ্ঠানে ওসমানীনগরে আসেন নি সে বিষয়টা জানা যায় নি। তবে বিজয় দিবসসহ জাতীয় দিবস ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যে কোন সভায় মঞ্চে দেখা যেত শফিক চৌধুরীকে। যিনি দলের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ঘোষনা করা হয়েছে ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি। সেই কমিটির সভায় নেই তিনি।

ওসমানীনগরে প্রায় ১০ বছর থেকে বিবাদমান আওয়ামী লীগ মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় বসে এক টেবিলে। ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সবাইকে এক টেবিলে দেখে উপজেলা আওয়ামীলীগে এবং অঙ্গ সংগঠন প্রাণ ফিরে পেয়েছে এমনটি মনে হয়েছে। এক টেবিলে বিবাদমান সবাইকে দেখে আনন্দিত নেতাকর্মীরা। তবে যে বিষয় ব্যথিত করেছে সেটি হলো শফিকুর রহমান চৌধুরীর অনুপস্থিতি। শফিকুর রহমান চৌধুরী উপজেলা আওয়ামীলীগের বিজয় দিবসের সভায় থাকলে বোধহয় পূর্নতা পেতো আরো। যিনি মাঠে ঘাটে ছুটে তার নেতাকর্মীদের খবন নেন। কোন নেতা কর্মী অসুস্থ জানলে দৌঁড়ে ছুটে যান হাসপাতালে। যার অক্লান্ত পরিশ্রমে পূর্ণাঙ্গ হলো ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ। যিনি বিবাদমান নেতাকর্মীদের এক টেবিলে আনলেন সেই টেবিলেই তার উপস্থিতি নেই!।

১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস অনুষ্ঠান সফল করার লক্ষে পূর্বে আরেকটি সভা এবং পরিচিতি সভায়ও দেখা যায়নি শফিকুর রহমান চৌধুরীকে। বিজয় দিবসের ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের আলোচনা সভায় শফিকুর রহমানকে না দেখে অনেকেই বিভিন্ন মন্তব্য করতে দেখা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওসমানীনগর উপজেলার একাধিক নেতাকর্মী বলেছেন, সদ্য সাবেক হওয়ায় নেতাকর্মীদের কাছে কমে গেছে তার গুরুত্ব। যারা এই নেতার কারণে দাপটের সাথে রাজনীতির মাঠে উঠে এসেছেন আজ তারাই তাকে ভুলে গেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন।