প্রকাশনার ১৫ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১১ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

মুড়িয়া হা-ও-রে জলাবদ্ধতায় ডু-ব-ছে শত কৃষকের স্বপ্ন

admin
প্রকাশিত
মুড়িয়া হা-ও-রে জলাবদ্ধতায় ডু-ব-ছে শত কৃষকের স্বপ্ন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অসময়ে পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে বিয়ানীবাজারের মুড়িয়া হাওরের শতশত বিঘা বোরো ধান। বৃষ্টির পানি বের হওয়ার পথ না থাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে কৃষকের সামনেই ডুবছে তাদের সোনালী ফসল। ইতোমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে কয়েক একর কাঁচা ধান। দু-একদিনের ভেতর পানি বের করা না গেলে অন্তত দুইশ একর জমির ধান একেবারে পানিতে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা কৃষকদের।

 

দেশের হাওরগুলোর মধ্যে অন্যতম বৃহৎ মুড়িয়া হাওর। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এই হাওরে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে এবং ফলনও হয়েছে ভাল। কিন্তু বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া, শেওলা ও দুবাগ ইউনিয়নের অন্তত: ১৫টি গ্রামের কয়েক শ’ কৃষকের কাঁচা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ধান পুরোপুরি কাঁচা থাকায় সেগুলো কাটতেও পারছেন না তারা।

 

মুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো: ফরিদ আহমদ জানান, হাওর থেকে এখনো পানি নামেনি। জলাবদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কৃষকদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। হাওরের বৃষ্টির পানিতে হাওরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ফসলহানী হয়। তিনি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে ফসল রক্ষার দাবি জানান।

তাজপুর গ্রামের নুনু মিয়া বলেন, আমার ৩ বিঘা জমি পানির তলে। ঋণ করে জমিতে ধান চাষ করেছি। আমার পুরো পরিবার এ ফসলের উপর নির্ভরশীল। ধান হারিয়ে আমি সাগরে ভেসে গেছি। কিভাবে ঋণ শোধ করব আর কীভাবে বাঁচব জানি না।

কোনাগ্রামের নুর আহমেদ বলেন, আর দশ পনেরো দিন পর ধান কাটা যেত। এমন সময় বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে আমাদের ধান। দ্রুত পানি নামানোর ব্যবস্থা না করলে আমরা নিঃস্ব হয়ে যাব।

বিয়ানীবাজার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিমল সোম বলেন, প্রতি বছর বৃষ্টিতে এখানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আমরা চেষ্টা করব পানি নিষ্কাশনের। যাতে কৃষকরা ফসল তুলতে পারে। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের তালিকা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানাব।

সংবাদটি শেয়ার করুন।