প্রকাশনার ১৫ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২৪শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
১০ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১৮ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

মাথা ঠাণ্ডা রাখার কৌশল জানালেন ধোনি

admin
প্রকাশিত
মাথা ঠাণ্ডা রাখার কৌশল জানালেন ধোনি

মহেন্দ্র সিং ধোনিকে বলা হয় ক্যাপ্টেনকুল। এমনি এমনি তাকে আর এ অ্যাখ্যা দেয়া হয়নি। কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে মাথা ঠাণ্ডা রেখে কাজ হাসিল করতে হয়, তা ভালো করেই জানেন তিনি।

ভারতকে ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতাতে প্রধান ভূমিকা রাখেন ধোনি। তিন শিরোপা জয়ের ক্ষেত্রেই নিয়ামক অবদান রাখে তার হিমশীতল মস্তিষ্ক।

সম্প্রতি এমএসকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, বড় মঞ্চে চাপের মুহূর্তে কীভাবে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পারেন? স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন সর্বকালের সেরা ভারতীয় অধিনায়ক। যেভাবে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন নিজ মুখেই তা বলেছেন তিনি।

ধোনি বলেন, সবার মতো আমিও হতাশ হই। কারও চেয়ে আলাদা কিছু নই। দুঃসময়ে আর দশজনের মতো রাগ, ক্ষোভ, দুঃখ ও হতাশা হয়। তবে সেই অনুভূতিগুলো গঠনমূলক নয়।

নিজেকে ভালো করেই নিয়ন্ত্রণ করতে জানেন মাহি। তিনি বলেন, সবার মতো আমার মনকেও নানা ধরনের আবেগ ঘিরে ধরে। তবে সেই আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতেও জানি। চাপের মুহূর্তে অকারণ চিন্তার পরিবর্তে কী করা উচিত, কাকে দিয়ে বল করালে ফল ইতিবাচক হতে পারে, তা ভাবা আমার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি।

টেস্টের চেয়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেট আলাদা। এখানে টেম্পারমেন্টও ভিন্ন। ধোনি বলেন, টেস্ট ম্যাচ দীর্ঘ হওয়ায় তাতে ভাবার সুযোগ পাওয়া যায়। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ফিরেও আসা যায়। কিন্তু সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সেই সুযোগ নেই। মাথা ঠাণ্ডা না রাখলে টার্নিং পয়েন্টগুলো হাত ফসকে যেতে পারে।

ভারতকে তিনটি বিশ্ব ট্রফি জেতানো অধিনায়ক মনে করেন, ক্রিকেট টিম গেম। ম্যাচ জিততে দলের প্রতিটি খেলোয়াড়কেই নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করতে হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন।