প্রকাশনার ১৫ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১১ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

বাংলা নববর্ষ: বিয়ানীবাজার থেকে হা-রি-য়ে-ছে পান্তা-ইলিশ

admin
প্রকাশিত
বাংলা নববর্ষ: বিয়ানীবাজার থেকে হা-রি-য়ে-ছে পান্তা-ইলিশ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

নানা আয়োজনে বিয়ানীবাজারে উদযাপিত হচ্ছে বাংলা বছরের প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ। এখানে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৈশাখের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ মঙ্গল শোভাযাত্রা, গান, আবৃত্তি ইত্যাদির আয়োজন থাকলেও হারিয়ে গেছে পান্তা-ইলিশ।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে নানা শ্রেণিপেশার মানুষকে প্রাণের উৎসবে শামিল হতে দেখা গেছে। তবে পৌরশহরসহ গ্রামীণ জনপদে পান্তা-ইলিশ ছিল অনুপস্থিত।

বিয়ানীবাজার পৌরশহরের কোন রেষ্টুরেন্টে ইলিশ-ভর্তার আয়োজন দেখা যায়নি। বছরের অন্য সময়ে ইলিশ বিক্রি করলেও পহেলা বৈশাখের দিনে নেই সুস্বাদু মাছটি।

হোটেল ব্যবসায়ী শফিকুর রহমান বলেন, আমরা পান্তা-ইলিশ বিক্রি করি না। কেউ খেতে চায় না, আবার ইলিশের দামও বেশি। এইখানের কোনো রেস্তোরাঁ বিক্রি করে না পান্তা-ইলিশ, কিছু চাইনিজ রেস্তোরাঁ বিক্রি করে শুনেছি।

 

জানা যায়, আশির দশক থেকে বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার প্রচলন শুরু হয়। আবহমানকাল ধরে পান্তা ছিল বাঙালির দৈনন্দিন খাবার। তবে পান্তা-ইলিশ পহেলা বৈশাখের কোনো খাবার ছিল না। নববর্ষের প্রথম দিনে বাংলার ঘরে ঘরে সাধ্যমতো ভালো খাবার পরিবেশনের চল ছিল। ছিল হালখাতা ও দই-মিষ্টির প্রচলন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দক্ষিণাঞ্চলে মাছের পাঁচ অভয়াশ্রমে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকে। এসবের কারণে শহরে কমছে পান্তা-ইলিশ সংস্কৃতি।

সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল খালিক বলেন, ইলিশের চড়া মূল্যের কারণে বাঙ্গালিরা ইলিশবিমুখ হয়েছেন। তিনি বলেন, পান্তা-ইলিশ এখন মধ্য ও উচ্চবিত্তের মানুষের রান্না ঘরে প্রবেশ করেছে। রেস্তোরাঁয় কম দামে অনেক খাবার আছে।

 

বিয়ানীবাজার রেষ্টুরেন্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নজরুল হোসেন বলেন, ইলিশ তো পাওয়া যায় না। তার ওপর উচ্চমূল্য। মানুষের কিনে খাওয়ার উপায় নেই।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন।