প্রকাশনার ১৫ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২৫শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১৯শে মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

ছয় ঘণ্টার বৃষ্টিতে সিলেট শহরে হাঁটু পানি

admin
প্রকাশিত জুন ১৩, ২০২৪, ০৬:৩৮ অপরাহ্ণ
ছয় ঘণ্টার বৃষ্টিতে সিলেট শহরে হাঁটু পানি

স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেট নগরে ছয় ঘণ্টার অতিবৃষ্টিতে আবারও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকাল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে নগরের বেশ কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

নগরের অভিজাত উপশহর, মেজরটিলা, জালালাবাদ, সোবহানীঘাট, তেরোরতন, মাছিমপুরসহ শহরের নিম্নাঞ্চলের এলাকায় বৃষ্টির পানি জমেছে। এসব এলাকার কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি।

সিলেটের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসাইন বলেন, সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল ভোর ৬টা থেকে আজ ভোর ৬টা) বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৪ দশমিক ৬ মিলিমিটার। আর বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। সিলেটের আকাশে বজ্রমেঘের অবস্থান রয়েছে। যেটা কেটে যেতে সময় লাগবে।

এদিকে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরা পুঞ্জিতে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৩৪৯ মিলিমিটার। এ কারণে সিলেটের নদ-নদীর পানি বাড়ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, সুরমা নদীর কানাইঘাট ও সিলেট পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যায় ১১ দশমিক ৬০ মিটার ও ৯ দশমিক ৫৮ মিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ১২ দশমিক ৩৭ মিটার ও ১০ দশমিক ১১ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আর লুবা নদীর লুবা ছড়া, সারি নদীর সারিঘাট ও ডাউকি নদীর জাফলং পয়েন্ট দিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় ১১ দশমিক ৯০, ১০ দশমিক ২০ ও ৯ দশমিক ২৯ মিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও বৃহস্পতিবার দুপুরে ১২ দশমিক ৮৫,১১ দশমিক ৫১ ও ১০ দশমিক ১৭ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মেজরটিলা এলাকার বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সকালের বৃষ্টিতে মেজরটিলা বাজার ও আশপাশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ৯টার দিকে বাজারে যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। একটু এগোনোর পরে দেখলাম হাঁটু পানি হয়ে গেছে। পরে আর সামনে যাওয়ার সাহস পাইনি। এখন বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা একটি নিত্যদিনের সমস্যা হয়ে গেছে। এখন বৃষ্টি হলে বাসা থেকে আর বের হওয়ার উপায় থাকে না।

সিলেট সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. রুহেল আহমদ বলেন, সকালে বৃষ্টির পানি জমে বাজারে পানি জমেছিল। এখন বৃষ্টি কমে যাওয়াতে ধীরে ধীরে পানি নেমে যাচ্ছে। এখানে পানি নিষ্কাশনের জন্য নালার কাজ চলছে। আশা করা যায় সপ্তাহের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে এবং জলাবদ্ধতার সমস্যা দূর হবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন।